• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বহিরাগতদের হট্টগোল: সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: রাজপথ থেকে অ্যালগরিদমের রাজনীতি বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত থাইকফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’ ম্যানচেস্টারে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ, পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ২০২৮-২৯ অর্থবছরেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ছুবে ভারত: রাজ্যসভায় নির্মলা সীতারামন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ খান্দুরা দরবার শরীফে ‘ওজিফায়ে ইয়াদুল্লাহ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন জুলাইয়ের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী

আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়ালো

২৪ ঘন্টা / ১০৩
মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আফগানিস্তানে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুনার প্রদেশে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৪১১ জনে পৌঁছেছে। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১২৪ জন। আফগান তালেবান সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর আল জাজিরার।
মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের জীবিত উদ্ধারে জোর অনুসন্ধান চলছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল জালালাবাদ থেকে ২৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ৮ কিলোমিটার গভীরে। এরপর আরও অন্তত তিনটি আফটারশক হয়। সেগুলোর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ২-এর মধ্যে।

মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এপির প্রতিবেদন মতে, ভূমিকম্পে কুনার প্রদেশের বেশ কয়েকটি কার্যত গ্রাম মানচিত্র থেকে মুছে গেছে। সময় যতই গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক এক্স বার্তায় জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১৪১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩ হাজার ১২৪ জন। ৫ হাজার ৪০০ টিরও বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর তিনদিন পরও এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে ধীর গতিতে। রাস্তা ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ায় প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

দাতব্য সংস্থা ইসলামিক রিলিফ-এর প্রধান ইব্রাহিম আহমেদ আল জাজিরাকে বলেছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের পৌঁছানো খুবই কঠিন।

তিনি বলেন, দাতব্য সংস্থা কুনার ও নানগারহারে কাজ করছে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানো কঠিন, এবং সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়ার জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের উপর নির্ভর করছে।

এই কর্মকর্তা জানান, পাহাড়ি অঞ্চল এবং অবকাঠামোর অভাব উদ্ধারকারী দলগুলোর প্রধান চ্যালেঞ্জ। তার কথায়, ‘এই পরিস্থিতির আগেও কিছু এলাকায় আমরা কেবল পায়ে হেঁটেই পৌঁছাতে পারতাম। বন্যা, সমস্ত গ্রাম ধসে পড়া, ভূমিধসের কারণে আমরা এখন গাড়ি বা অন্য কোনো উপায় ব্যবহার করতে পারছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এমন কিছু এলাকা আছে যেখানে এখন পর্যন্ত কেউ পৌঁছাতে পারেনি।’ সেসব এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু হলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন এই কর্মকর্তা।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর