• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে প্রথমবার নয়াপল্টনে রিজভী ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির নকশা দেবে যুক্তরাজ্য আবারও কঠিন লড়াই, ক্যানসার জয় করে ফিরতে চান সামিয়া বঙ্গোপসাগরে কার্গো জাহাজডুবি, বাংলাদেশি নাবিকসহ নিখোঁজ ২৪ দুপুরের আগেই যেসব অঞ্চলে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি গার্ড অব অনারের মাধ্যমে আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া-ইউক্রনের মধ্যে দুই শতাধিক সংঘর্ষ ভোলাবাসীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক: প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে

৮ লাখ টাকার বিল পেতেই ৩ লাখ টাকা দাবি, বানারীপাড়ায় শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

২৪ ঘন্টা / ১৫
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

বরিশালের বানারীপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের বিল পরিশোধের পর একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির কাছে ৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী নুরে আলম সিদ্দিকী বরিশালে স্কাই ভিউ অনলাইন কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। তাঁর দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গত অর্থবছরে বানারীপাড়ায় কাজ করা হয়। কাজ শেষে নিয়ম অনুযায়ী প্রায় ৮ লাখ টাকার বিল ২০২৫ সালের জুনে বানারীপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে চেকের মাধ্যমে ওই বিল পরিশোধ করা হয়।
নুরে আলমের অভিযোগ, বিল পাওয়ার কয়েক দিন পর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিঠু তাঁকে ফোন করেন। এ সময় ব্যবসা করতে হলে টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। তাঁর কাছে ৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন নুরে আলম।
নুরে আলম বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করে বিল পাওয়ার পর এভাবে টাকা দাবি করায় আমি বিস্মিত হয়েছি। ভবিষ্যতে এলাকায় ব্যবসা করতে হলে বিষয়টি নিয়ে চাপের মধ্যে পড়তে হবে কি না, সেটিও চিন্তার বিষয়।’
অভিযোগের বিষয়ে মনিরুল ইসলাম মিঠুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের পাওনা টাকা আমরা ফেরত চেয়েছি।’ কীসের পাওনা টাকা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের চুক্তি আছে।’
সরকারি প্রকল্পের কাজের অর্থের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কোনো চুক্তির ভিত্তিতে টাকা দাবি করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। তিনি একটি চুক্তিপত্র দেখানোর কথা বলেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই চুক্তিপত্রের কোনো কপি তিনি সরবরাহ করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, মনিরুল ইসলাম মিঠু নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনি শিক্ষা অফিসে প্রভাব বিস্তার করেন বলেও তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, শিক্ষা অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন কাজে মধ্যস্থতা করে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। তবে এসকল অভিযোগের বিষয়ে মনিরুল ইসলাম মিঠু অস্বীকার করেছেন।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর