• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বহিরাগতদের হট্টগোল: সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: রাজপথ থেকে অ্যালগরিদমের রাজনীতি বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত থাইকফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’ ম্যানচেস্টারে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ, পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ২০২৮-২৯ অর্থবছরেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ছুবে ভারত: রাজ্যসভায় নির্মলা সীতারামন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ খান্দুরা দরবার শরীফে ‘ওজিফায়ে ইয়াদুল্লাহ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন জুলাইয়ের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী

শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বহিরাগতদের হট্টগোল: সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

২৪ ঘন্টা / ০
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাজধানীর শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বহিরাগতদের নিয়ে হট্টগোল ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সাবেক কর্মকর্তা কে এম গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে। গত ৪ আগস্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে দলবল নিয়ে প্রবেশ করে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও হট্টগোল সৃষ্টি করেন বলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি পুনর্গঠনের একটি পত্রের অনুলিপি জমা দেওয়ার অজুহাতে কে এম গোলাম মাওলা একাধিক বহিরাগত অনুসারীকে সাথে নিয়ে অধ্যক্ষের রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি বাকবিতণ্ডা ও উসকানিমূলক আচরণ করেন। এর আগেও ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি ও তার অনুসারীরা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ফার্মেসিতে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী এবং সিসিটিভি সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনায় দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় তিনি ১৭ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কে এম গোলাম মাওলা পূর্বে (২০০৩ থেকে ২০০৮-০৯ মেয়াদে) তৎকালীন মাওলানা ভাসানী মেডিকেল কলেজে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বল্প মেয়াদের জন্য ডিরেক্টর (এডমিন) পদে এলেও আদালতের নির্দেশে পদটি বাতিল হলে তিনি চলে যান। তবে পদ হারানোর পরও দফায় দফায় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পেছনে তার ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম পরিচয় গোপন রাখার সত্তে বলেন, “পুনর্গঠনের চিঠির ফটোকপি দেখিয়ে বহিরাগতদের নিয়ে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল করা হয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরের ভাঙচুরের ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা চলমান রয়েছে, যার ভিডিও ফুটেজও সংরক্ষিত আছে।”

এদিকে শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিচালক (প্রশাসন) কে এম গোলাম মাওলা। প্রতিবেদক কে জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা নতুন গভর্নিং বডির নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি প্রিন্সিপালকে দিতে তিনি একাই গিয়েছিলেন। সেখানে পুলিশের ৩ জন এসআই উপস্থিত ছিলেন এবং কোনো হট্টগোল বা চেঁচামেচি হয়নি।

তিনি আরো জানান, পূর্বে তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলা ভুয়া ছিল এবং তা আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী নতুন গভর্নিং বডি সম্পূর্ণ বৈধ এবং এর সপক্ষে আপিল বিভাগের আদেশ রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। সত্যতা নিশ্চিত করতে তিনি পুলিশ ও থানার সাথে কথা বলার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনা সম্পর্কে কলেজের অফিসিয়াল অবস্থান এবং প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা তা জানতে একাধিকবার ফোন করলেও অধ্যক্ষের সাক্ষাৎকার মেলেনি।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর