• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শুভশ্রীর জন্মদিনে উপস্থিত না থেকেও কেন আলোচনায় ছিলেন দেব ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস, ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতে যে ৫ পরিবর্তন আসতে পারে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা ২ ও ৩ ডিসেম্বর: শিক্ষামন্ত্রী প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর বৈঠক পডকাস্টে একবার গেলেই তিন মাস তা দেখা লাগে: শবনম ফারিয়া বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ বাইন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলা, চুরি ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

ইরাক থেকে ইরানে নেওয়া হচ্ছে খামেনির কফিন, আজ দাফন

২৪ ঘন্টা / ৪৭
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ থেকে ইরানের মাশহাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ও ইরাকে ছয় দিনব্যাপী চলা শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে এই কফিন স্থানান্তর করা হচ্ছে। এর আগে নাজাফ ও কারবালাসহ দুই দেশের বিভিন্ন শহরে শোকানুষ্ঠান ও ধর্মীয় আচার পালিত হয়।খামেনির কার্যালয়ের প্রধান মোহাম্মদ মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি জানান, জীবদ্দশায় খামেনি ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যেন তাকে মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারের কাছে দাফন করা হয়। সেই ইচ্ছা অনুযায়ী আজ মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

গত শুক্রবার থেকে খামেনির শেষ বিদায়ের এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শুরুতে খামেনি, তার এক মেয়ে ও তার ১৪ মাস বয়সী সন্তান, তার এক জামাতা এবং মোজতবার স্ত্রীর কফিন ইরানের কর্মকর্তা এবং বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। সোমবারের বিশাল শোকযাত্রার আগে শনি ও রোববারও বড় আকারের অনুষ্ঠান হয়। এরপর ইরাকেও খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল রাজপথে নেমে আসে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনেই আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। ওইদিনই ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালালে বড় আকারের যুদ্ধ বেধে যায়। যুদ্ধে ইরানের ব্যাপক ক্ষতি হলেও টিকে যায় তাদের শাসন কাঠামো। গত মাসে একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটলে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নতুন প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের বিজয় দাবি করে ইরান।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর