• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শুভশ্রীর জন্মদিনে উপস্থিত না থেকেও কেন আলোচনায় ছিলেন দেব ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস, ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতে যে ৫ পরিবর্তন আসতে পারে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা ২ ও ৩ ডিসেম্বর: শিক্ষামন্ত্রী প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর বৈঠক পডকাস্টে একবার গেলেই তিন মাস তা দেখা লাগে: শবনম ফারিয়া বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ বাইন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলা, চুরি ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

পঞ্চাশ পেরিয়েও রুবাবা নিজেকে ফিট রেখেছেন যেভাবে

২৪ ঘন্টা / ৪৭
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

বয়স শুধুই একটি সংখ্যা মাত্র- প্রচলিত এই কথাটি যাদের দেখলে চির সত্য বলে মনে হয়, রুবাবা দৌলা তাদের মধ্যে একজন। পঞ্চাশের কোটা পেরিয়েও তার চোখেমুখে সেই চিরযৌবনা দীপ্তি, চলনে রাজকীয় আভিজাত্য আর ব্যক্তিত্বে আলাদা সতেজতা। বাংলাদেশের করপোরেট জগতের এই আইকন কীভাবে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে ধরে রেখেছেন, তা জানালেন অকপটেই। সুস্থতা যে শুধু কায়িক শ্রম কিংবা ব্যায়াম-ডায়েটের মাঝে আটকে রয়েছে, তা নয়। বিষয়টা খানিকটা ভিন্ন রুবাবার ক্ষেত্রে। তার জীবনাদর্শন বলে ভিন্ন কিছু। এই সুন্দরীর মতে, ফিটনেস এমন একটি সামগ্রিক বিষয়, যার মধ্যে রয়েছে মানসিক যত্নের গুরুত্ব। অর্থাৎ শুধু শরীর নয় একইভাবে মানসিক দিকটারও খেয়াল রাখা জরুরি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রুবাবা দৌলা জানালেন তার সুস্থ ও চিরযৌবনা থাকার রহস্য। পজিটিভ মাইন্ডসেট তথা ইতিবাচক মানসিকতাই ফিট রাখার অন্যতম মূল চাবিকাঠি- এমনই মত তার। জীবন মানেই চাপের পাহাড়, আর করপোরেট জগতের উচ্চপদে আসন যেন একজন মানুষের জন্য সেই চাপ আরও বহুগুণ। সেই হাজারো ব্যস্ততার ভিড়ে নিজের জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখা, নিজের শখের যত্ন নেওয়া এবং প্রশান্তির মুহূর্তগুলো উপভোগ করাই তাকে ভেতর থেকে প্রাণবন্ত রাখে।মানসিক স্বাস্থ্য বা মেন্টাল হেলথ নিয়ে সমাজে এখনো অনেক জড়তা রয়েছে। রুবাবা দৌলা এই প্রথাগত ধারণা ভেঙে মেন্টাল হেলথ বা মানসিক সুস্থতাকে মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখেন। তার কথায়, আমরা শরীরে কোনো অসুখের জন্য ঠিকই ডাক্তারের কাছে যাই, অথচ ডিপ্রেশন বা মনের কোনো সমস্যা হলে আমরা কিন্তু ডাক্তারের কাছে যাই না।তাই নিজেকে ফিট রাখতে নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যানের চর্চা করেন রুবাবা। মনের অস্থিরতা কমিয়ে ইতিবাচক চিন্তা দিয়ে নিজেকে ঘিরে রাখাই তার চিরসবুজ থাকার রহস্য।

সবমিলিয়ে রুবাব এটাই বোঝাতে চান, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। এই যে জীবনের প্রতি অগাধ আস্থা আর প্রশান্তি, এটাই তার অবয়বে প্রতিফলিত হয় লাবণ্য হয়ে। পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সেও তার এই ফিটনেস আর এলিগেন্স শুধু প্রসাধন বা ব্যায়ামের ফল নয়, এটি তার সুন্দর চিন্তার এক সার্থক প্রতিচ্ছবি; যা প্রমাণ করেছেন রুবাবা দৌলা।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর