• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর বৈঠক পডকাস্টে একবার গেলেই তিন মাস তা দেখা লাগে: শবনম ফারিয়া বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ বাইন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলা, চুরি ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে মার্কিন হামলা : বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তির পরিকল্পনা জানালেন ট্রাম্প

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা: ৪ মাস পর চিরবিদায় নিচ্ছেন খামেনি

২৪ ঘন্টা / ৪৬
বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান হারিয়েছে তাদের প্রিয় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। এতদিন অপেক্ষার পর প্রয়াত এ নেতার জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজন করছে দেশটি।

হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক ইস্যু এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলতে থাকা ভঙ্গুর আলোচনার মধ্যেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এ আয়োজন করা হচ্ছে। খামেনির মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি জানাজায় যোগ দেবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।আগামী ৪ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া ছয় দিনের এই অনুষ্ঠান ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শুরুতে তাদের হামলায় নিহত হওয়ার প্রায় চার মাস পর প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন খামেনি। এটি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম মেয়াদ।১৯৩৯ সালে মাশহাদে জন্মগ্রহণকারী খামেনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ সমাবেশে তাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রাখা হয়েছে। মূলত যুদ্ধ, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী আলোচনা প্রক্রিয়ার কারণেই এই চার মাসের বিলম্ব ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান আপেক্ষিক উত্তেজনা হ্রাসের সময়টিকে জানাজার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সমঝোতা স্মারকের আলোচনা চলাকালীন ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রেখেছে। আন্তর্জাতিক মহলের সামনে কোনো বিঘ্ন ছাড়াই এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে চায় ইরান।

৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের প্রধান রাষ্ট্রীয় ধর্মীয় সমাবেশের স্থান ‘মোসাল্লা’ প্রাঙ্গণে জানাজা হবে। সিনিয়র ইসলামিক ব্যক্তিত্বদের জানাজার জন্য পরিচিত এই মোসাল্লা রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতীকী কেন্দ্র। মূল শোকমিছিলটি ইমাম হোসেন স্কয়ার থেকে সেখানকার স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পথজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। তেহরানের মেয়রের মতে, প্রায় ২ কোটি মানুষ এতে অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি শহরটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবেশ হতে যাচ্ছে।

এরপর ৭ জুলাই শোকমিছিলটি কোম শহরে যাবে। শহরটি শিয়া ইসলাম শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র। সেখান থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ ইরাকের দুটি পবিত্রতম শহর নাজাফ ও কারবালায় নিয়ে যাওয়া হবে। তার দাফন অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান ও ইরানের সবচেয়ে পবিত্র শহর মাশহাদে। সেখানে প্রায় ১ কোটি মানুষের সমাগম আশা করা হচ্ছে। আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ এই আয়োজনের লজিস্টিকস সমন্বয় করছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর