• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসায় শিগগির ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবিরোধী’ কার্ড চাইলেন আসিফ মাহমুদ জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ পায়নি ইইউ নির্বাচন মিশন বাতিলই থাকছে এনসিপির মনিরা শারমিনের মনোনয়ন দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ‘তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস’ তরুণ প্রজন্ম বুঝতে চায় না, বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে: শিক্ষামন্ত্রী ‎জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি জার্মানিতে পাইপলাইনে তেল রপ্তানি বন্ধের পরিকল্পনা পুতিনের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ধসে পড়ছে ব্যবসা খাত

সারা দেশের পেট্রোল পাম্প যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে

২৪ ঘন্টা / ১৫
সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

যে কোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এ শঙ্কা জানিয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) রাতে জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ উল্লেখ করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরতরা। সব মিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যে কোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।সংগঠনটির দাবি, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। তাদের আরেকটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক হিসেবে এই মজুত কয়েক দিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়।

এছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে মব সৃষ্টি করে পেট্রোল পাম্প খুলিয়ে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সব পেট্রোল পাম্প মালিকদের ভাগ্যেই ঘটতে চলেছে। এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই।সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে; ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা প্রকাশ করে সংগঠনটি।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর