• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি: নতুন স্বপ্নের সারথি তারেক রহমান অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন লাক্স সুপারস্টার বর্ণিতা এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা পদোন্নতিতেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রূপালি ব্যাংকে ব্যাপক ঋণ জালিয়াতি ১১ বছরে লিটনের ‘প্রথম’ ফিফটি বেনজীরের গ্রেপ্তার ইস্যুতে সংসদকে অবহিত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যেও কমছে স্বর্ণের দাম? ইউনূস সরকারের রেখে যাওয়া ‘অবসাদ’ ও আমলাতান্ত্রিক দেওয়াল: বাজেট বাস্তবায়নে মূল বাধা ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইকোলজি এন্ড বায়োডাইভারসিটি এর এজিএম অনুষ্ঠিত

ড. ইউনূসের দ্বৈত দায়িত্বে ‘স্বার্থের সংঘাত’ দেখছেন সালাহউদ্দিন

২৪ ঘন্টা / ৫৮
বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

সরকারের প্রধান ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্বৈত দায়িত্বে ‘স্বার্থের সংঘাত’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি নিরপেক্ষ আচরণের আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা আশা করি সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না, যা জাতিতে বিভাজন বা অনৈক্য সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, এখানে স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাত রয়েছে। এই সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে সহযোগিতা করছি, ভোটে অংশ নিচ্ছি, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু একই সঙ্গে সরকারপ্রধান ও ঐকমত্য কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. ইউনূস যে সুপারিশগুলো দিয়েছেন, সেগুলো জুলাই জাতীয় সনদের চেতনা থেকে অনেকটাই সরে গেছে।

সালাহউদ্দিন দাবি করেন, গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঐকমত্য কমিশনে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাবে, সেটিই জাতীয় সনদ হবে এবং পরবর্তী নির্বাচিত সংসদ তা বাস্তবায়ন করবে—এ অবস্থান থেকে প্রধান উপদেষ্টা সরে যেতে পারেন না।

সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে তিন দফা আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের আগে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম, একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সনদে সব দল স্বাক্ষর করুক এবং সনদ বাস্তবায়নে সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ হোক। সেভাবেই সনদ প্রণীত হয়, যাতে ছিল প্রায় ৮৪টি দফা। এসব দফার কিছু বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট ছিল, তবে তা প্রথাগত নয়। এসব নোটে বলা ছিল—সংশ্লিষ্ট দল চাইলে নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে জনগণের ম্যান্ডেট পেলে বাস্তবায়ন করতে পারবে।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর