• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে বহিরাগতদের হট্টগোল: সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: রাজপথ থেকে অ্যালগরিদমের রাজনীতি বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত থাইকফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’ ম্যানচেস্টারে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ, পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ২০২৮-২৯ অর্থবছরেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ছুবে ভারত: রাজ্যসভায় নির্মলা সীতারামন প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পবিপ্রবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ খান্দুরা দরবার শরীফে ‘ওজিফায়ে ইয়াদুল্লাহ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন জুলাইয়ের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

২৪ ঘন্টা / ১৫৮
সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

১৫ আগস্টকে ‘জাতীয় শোক’ দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। 

এর আগে ২০০৯ সালে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। যা এতদিন পালিত হয়ে আসছিল। তবে চলতি বছর এটি পালন না করে স্থগিত করা হয়। এখন পুরো রায়টি স্থগিত চায় রাষ্ট্রপক্ষ। 

সদ্য বিদায়ী শেখ হাসিনা সরকার ২০০৮ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছিল। তবে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর ১৩ আগস্ট এ বছরের ছুটিটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল। তখন দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় এসে ২০০২ সালে জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে। 

এর ছয় বছর পর হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালে ১৫ অগাস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পুনর্বহাল করে। 

এদিকে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণার হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগে যা শুনানি জন্য রোববার দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।


এই ক্যাটেগরির আরও খবর